পদ্মা জার্মকিলার
উপকারিতাঃ
পদ্মা জার্মকিলার মাছ ও চিংড়ির ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ও প্রোটোজোয়া ঘটিত রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধে সর্বাধিক কার্যকর। মাছের ক্ষত রোগ, ফুলকা পঁচা রোগ, লেজ ও পাখনা পঁচা, চিংড়ির এন্টেনা ঝরে যাওয়া ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে। পদ্মা জার্মকিলার চিংড়ির ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক। এটি পানির গুনগত মান ও শ্বেতগাছ বৃদ্ধিতে এবং ফুসকুড়ি কেটে ফেলতে সহায়তা করে।
উপাদানঃ
Alkyl dimethylbenzyl ammonium chloride 80%
also known as
Benzalkonium chloride (BKC) 80%
উপকারিতাঃ
পদ্মা জার্মকিলার মাছ ও চিংড়ির ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ও প্রোটোজোয়া ঘটিত রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধে সর্বাধিক কার্যকর। মাছের ক্ষত রোগ, ফুলকা রোগ, লেজ ও পাখনা পঁচা, চিংড়ির এন্টেনা ঝরে যাওয়া ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে। পদ্মা জার্মকিলার চিংড়ির ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক। এটি পানির গুনগত মান ও শ্বেতগাছ বৃদ্ধিতে এবং ফুসকুড়ি কেটে ফেলতে সহায়তা করে।
পদ্মা জার্মকিলার সক্রিয় ক্লোরাইড, ফেনোল, পারদ এবং অন্যান্য ভারী ধাতু থেকে মুক্ত। মাছ ও চিংড়ির গায়ে জমে থাকা প্যারাসাইট যেমন, যুথামনিয়াম দূরীকরণ করে দেহকে পরিষ্কার করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। চিংড়ির খোলস পাল্টানো অর্থাৎ মোল্টিং –এ সহায়তা করে।
পদ্মা জার্মকিলার একটি বিস্তৃত পিএইচ (pH) শর্তগুলির অধীনে ব্যবহার করা যেতে পারে। জলাশয়ের সবুজ ও নীল-সবুজ শৈবালের অতিবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনে অত্যাধিক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
জলাশয়ের পানি শোধন এবং দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য এবং হ্যাচারী বা খামারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত রাখতেও পদ্মা জার্মকিলার অত্যান্ত কার্যকর।
মাত্রাঃ
পুকুর বা ঘেরেঃ ২০০ মিলি প্রতি বিঘায় (৩৩ শতাংশ) ৩-৫ ফুট গভীরতার জন্য ৬-৮ লিটার পানিতে মিশিয়ে ছিটাতে হবে।
হ্যাচারী বা যন্ত্রপাতি জিবানুমুক্তকরণেঃ ১-২ মিলি প্রতি টন পানিতে; ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ১ মিলি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে নিতে হবে।
অথবা মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য।